image not found

স্টুডেন্টস অব দা ইয়ার: শিখি খেলতে খেলতে

আগামীর স্মার্ট ও উন্নত বাংলাদেশ গড়তে আমাদের প্রয়োজন শুধু ভালো ছাত্র নয়, বরং মানবিক ও বহুমাত্রিক দক্ষতাসম্পন্ন ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব। প্রথাগত ভালো ফলাফলের বাইরেও একজন শিক্ষার্থীর মাঝে লুকিয়ে থাকে নেতৃত্ব, সৃজনশীলতা, যোগাযোগ দক্ষতা এবং সামাজিক দায়বদ্ধতার মতো অসামান্য সব গুণাবলি। কিন্তু সঠিক পরিচর্যা ও প্ল্যাটফর্মের অভাবে এই প্রতিভাগুলো অনেক সময় অগোচরেই থেকে যায়।

 

এই শূন্যতা পূরণ করতেই আমাদের আয়োজন—"স্টুডেন্টস অব দা ইয়ার"। এটি নিছক কোনো প্রতিযোগিতা নয়, বরং এটি এমন একটি ‘এডুকেশন গেম’ বা প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে আমরা সারা দেশ থেকে খুঁজে বের করি সেইসব ‘মাল্টি-ট্যালেন্ট’ শিক্ষার্থীদের—যারা পড়াশোনার পাশাপাশি সহশিক্ষা কার্যক্রম, খেলাধুলা, এবং মানবিক গুণাবলি চর্চায়ও পারদর্শী। 

 

 

১. "স্টুডেন্টস অব দা ইয়ার" কি ও কেন? 💡

প্রতিটি শিক্ষার্থী অসামান্য প্রতিভার অধিকারী। কিন্তু বর্তমান মূল্যায়ন ব্যবস্থা সেই "মাল্টি ট্যালেন্ট" বা বহুমাত্রিক প্রতিভাকে খুঁজে বের করতে পারছে না। "স্টুডেন্টস অব দা ইয়ার"-এর মূল লক্ষ্য সেসব শিক্ষার্থীদের খুঁজে বের করা, যারা প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার পাশাপাশি সহশিক্ষা কার্যক্রম (co-curricular activities), সিলেবাস-বহির্ভূত বই পাঠ, সামাজিক কর্মকাণ্ড এবং মানবিক গুণাবলির চর্চায় পারদর্শী। এটি 'খেলতে খেলতে শেখা'র এক অনন্য আয়োজন এবং একটি "এডুকেশন গেম", যেখানে ‘শেখা এবং আনন্দ’ হাত ধরাধরি করে চলে। এই প্ল্যাটফর্মের স্লোগান: "আনন্দে শিখি, আলোয় বাঁচি।"

 

২. শুরু ও ভবিষ্যতের গল্পটা... 🚀

১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৪তে দেখা দিবাস্বপ্ন "স্টুডেন্টস অব দা ইয়ার" নামে আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করে ২৮ জুন ২০১৪ সালে। স্কুল কর্তৃপক্ষের ভালোবাসা ও প্রশ্রয়ে, খুব অল্প সময়ের মধ্যেই এই নতুন ধারণাটি শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলে। ২০১৮ সালে সিজন-৩ এ এসে যুক্ত হয় প্রযুক্তির ছোঁয়া। বৈশ্বিক মহামারি ও কিছু সীমাবদ্ধতার কারণে সাময়িকভাবে বন্ধ থাকার পর, ২০২৬ সাল থেকে দেশজুড়ে—আরও বড়ো পরিসরে, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায় পর্যন্ত এটি আধুনিক রূপে ফিরে আসছে।